Summary
কাজ: কোন বস্তুর উপর বল প্রয়োগে সরণ ঘটলে প্রযুক্ত বল ও বলের অভিমুখে সরণের উপাংশের গুণফলকে কাজ বলে।
বলের দ্বারা কাজ: বলের দিকে সরণের ধনাত্মক উপাংশ থাকলে, ঐ সরণের জন্য কাজকে বলের দ্বারা কাজ বলা হয়।
বলের বিরুদ্ধে কাজ: বলের বিপরীত দিকে সরণ হলে, ঐ কাজকে বলের বিরুদ্ধে কাজ বলে।
এক জুল: এক নিউটন বল প্রয়োগে বস্তুর এক মিটার সরণে যে কাজ হয়, সেটি এক জুল।
এক ইলেকট্রন ভোল্ট: এক ভোল্ট বিভব পার্থক্যে একটি ইলেকট্রনের অর্জিত শক্তি।
শক্তি: কাজ করার সামর্থ্য বা ক্ষমতাকে শক্তি বলে।
যান্ত্রিক শক্তি: বস্তুটির অবস্থানের উপর নির্ভর করে কাজ করার সাহসী শক্তি।
গতিশক্তি: গতিশীল অবস্থায় বস্তুর কাজ করার সামর্থ্য।
স্থিতিশক্তি: নির্দিষ্ট অবস্থায় স্থির থাকার জন্য প্রাপ্ত শক্তি।
কাজ শক্তি উপপাদ্য: লখি বল কর্তৃক কৃত কাজ তার গতিশক্তির পরিবর্তনের সমান।
শক্তির নিত্যতা: শক্তির সৃষ্টি বা বিনাশ হয় না, এটি রূপান্তরিত হয়।
কার্য বা কর্ম দক্ষতা: কার্যরত শক্তি ও প্রদত্ত মোট শক্তির অনুপাত।
সংরক্ষণশীল বল: যে বল প্রাথমিক অবস্থানে ফেরালে কাজ শূন্য হয়।
অসংরক্ষণশীল বল: যে বল প্রাথমিক অবস্থানে ফেরালে কাজ শূন্য হয় না।
ক্ষমতা: একটি উৎসের কাজ করার হার। এক ওয়াট হল এক সেকেন্ডে এক ভুল কাজ করার ক্ষমতা। একটি অশ্ব ক্ষমতা প্রতিটি সেকেন্ডে 746 ভুল কাজ করার ক্ষমতা।
কাজ :
কোন বস্তুর উপর বল প্রয়োগে সরণ ঘটলে প্রযুক্ত বল ও বলের অভিমুখে সরণের উপাংশের গুণফলকে কাজ বলে।
বলের দ্বারা কাজ :
যদি বল প্রয়োগের ফলে বলের দিকে বলের প্রয়োগ বিন্দুর সরণ ঘটে বা বলের দিকে সরণের ধনাত্মক উপাংশ থাকে তবে ঐ সরণের জন্য কৃত কাজকে বলের দ্বারা কাজ বলে।
বলের বিরুদ্ধে কাজ ঃ
যদি বল প্রয়োগের ফলে বলের বিপরীত দিকে বলের প্রয়োগ বিন্দুর সরণ ঘটে বা বলের দিকে সরণের ঋণাত্মক উপাংশ থাকে তবে ঐ সরণের জন্য কৃত কাজকে বলের বিরুদ্ধে কাজ বলে।
এক জুল :
এক নিউটন বল প্রয়োগের ফলে বলের ক্রিয়া রেখা বরাবর বস্তুর সরণ যদি এক মিটার হয়, তবে যে কাজ সম্পন্ন হয় তাকে এক জুল বলে।
এক ইলেকট্রন ভোল্ট :
এক ভোল্ট বিভব পার্থক্যে একটি ইলেকট্রনের অর্জিত শক্তিই এক ইলেকট্রন ভোল্ট। শক্তি : কোন ব্যক্তি, বস্তু বা পদার্থের কাজ করার সামর্থ্য বা ক্ষমতাকে শক্তি বলে।
যান্ত্রিক শক্তি :
কোন বস্তুর মধ্যে তার পারিপার্শ্বিক অবস্থা বা অবস্থানের সাপেক্ষে অথবা গতির জন্য কাজ করার সামর্থ্য তথা শক্তি থাকে, তবে ঐ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তি বলে।
গতিশক্তি :
গতিশীল অবস্থা থাকার ফলে কোন একটি বস্তু কাজ করার জন্য যে সামর্থ্য অর্জন করে তাকে ঐ বস্তুর গতিশক্তি বলে। অথবা, গতির জন্য বস্তুতে যে শক্তির উদ্ভব হয় তাকে তার গতিশক্তি বলে।
স্থিতিশক্তি :
নির্দিষ্ট অবস্থানে বা অবস্থায় স্থিতিশীল থাকার দরুন বস্তু যে শক্তি প্রাপ্ত হয় তাকে স্থিতিশক্তি বলে।
কাজ শক্তি উপপাদ্য :
কোন বস্তুর উপর ক্রিয়ারত লখি বল কর্তৃক কৃত কাজ তার গতিশক্তির পরিবর্তনের সমান। এটি কাজ শক্তি উপপাদ্য নামে পরিচিত।
যান্ত্রিক শক্তির নিত্যতা বা সংরক্ষণ সূত্র ঃ
শক্তির সৃষ্টি বা বিনাশ নেই। এটি কেবল একরূপ হতে অন্য এক বা একাধিক রূপে পরিবর্তিত হতে পারে। রূপান্তরের আগে ও পরে মোট শক্তির পরিমাণ নির্দিষ্ট ও অপরিবর্তনীয়। একে শক্তির নিত্যতা বা সংরক্ষণ সূত্র বলে।
কার্য বা কর্ম দক্ষতা :
কোন যন্ত্রের কর্মদক্ষতা বলতে কার্যরত শক্তি এবং প্রদত্ত মোট শক্তির অনুপাতকে বুঝায়।
সংরক্ষণশীল বল :
যে বল কোন বস্তুর উপর ক্রিয়া করলে তাকে যে কোন পথে ঘুরিয়ে পুনরায় প্রাথমিক অবস্থানে মানলে বল কর্তৃক কৃত কাজ শূন্য হয় তাকে সংরক্ষণশীল বল বলে।
অসংরক্ষণশীল বল :
যে বল কোন বস্তুর উপর ক্রিয়া করলে তাকে যে কোন পথে ঘুরিয়ে পুনরায় প্রাথমিক অবস্থানে আনলে ঐ বল কর্তৃক কৃতকাজ শূন্য হয় না তাকে অসংরক্ষণশীল বল বলে।
ক্ষমতা :
কোন একটি উৎসের কাজ করার হারকে ক্ষমতা বলে।
এক ওয়াট :
এক সেকেন্ডে এক ভুল কাজ করার ক্ষমতাকে এক ভুল / সে. বা এক ওয়াট বলে।
এক অশ্ব ক্ষমতা :
প্রতি সেকেন্ডে 746 ভুল কাজ করার ক্ষমতাকে এক অশ্ব ক্ষমতা বলে।
Read more